অনলাইন আয় ২০২১ | অনলাইনে ইনকাম করার সহজ পদ্ধতি

 

হাই! দর্শক কেমন আছেন, আশা করি ভালো আছেন। আজ আমি আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করতে যাচ্ছি কিভাবে ঘরে বসে অনলাইন আয় করতে হয়। 

অনলাইনে ইনকাম করুন ঘরে বসে ১০০% সফলতা গ্যারান্টি। যারা অনলাইনে ইনকাম করতে চান তাদের জন্য এটি একটি সুখবর।

আমাদের এই পেজে পাবেন আপডেট সরকারি, বেসরকারি, এজিও, ব্যাংক, ডিফেন্সসহ যাবতীয় সকল চাকুরির খবর-সমূহ এবং স্কুল, কলেজ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর আপডেট সকল নোটিশ 

যেমন : ভর্তি বিজ্ঞপ্তি, পরীক্ষার রুটিন, পরীক্ষার ফরম ফিলাপ, পরীক্ষার রেজাল্ট এবং বেকার যুবকদের অনলাইন আয়ের সু-খবর। প্রতি দিন দৃষ্টি রাখুন আমাদের এই তথ্য বহুল eduandjobs.com ওয়েবসাইটের।

আমাদের সাড়া বিশ্বে বেকার যুবকদের উপার্জনের মাধ্যম অনলাইন ইনকাম। বিশ্বের বহু মানুষ অনলাইন আয় করে এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা কেন পিছিয়ে থাকবো, আমরাও অনলাইন আয় করতে চাই, তাহলে আর দেরি নয় চলুন শুরু করা যাক। 

এই পোষ্টে আপনি অনলাইন আয় এর যাবতীয় পদ্ধতি সংগ্রহ করতে পারবেন তাই উক্ত অনলাইন আয় মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

অনলাইন আয় শিরোনাম সমূহ :

১. অনলাইনে আয় করার সহজ পদ্ধিতি

২. ঘরে বসে কিভাবে ইনকাম করবেন?

৩. অনলাইন আয় করার পদ্ধতি

৪. অনলাইন ইনকামের টাকা পাবো কিভাবে?

৫. অনলাইন আয় করার মাধ্যম ব্লগিং

৬. ব্লগিং কি?

৭. ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরী করতে খরচ কত হবে?

৮. ডুমেইন কি?

৯. হোস্টিং কি?

১০. ডুমেইন ও হোস্টিং ক্রয় করতে খরচ কত?

১১. ফ্রিতে ব্লগিং?

১২. সাব ডুমেইন কি?

১৩. ওয়বসাইট ব্লগার তৈরী?

১৪. গুগল এ্যাডসেন্স একাউন্ট

১৫. অনলাই আয়ের পরিশেষ কথা


অনলাইনে আয় করার সহজ পদ্ধিতি

অনলাইন আয় : আপনি অবশ্যই অনলাইন-এ আয় করতে আগ্রহী তাই আর দেরি নয়। সবাই চাই পরিশ্রম ছাড়া ইনকাম করতে। 


তাদের জন্য এটি গুরুত্বপূণ অনলাইন মাধ্যম, ঘরে বসে প্রতি মাসে অনলাইনে হাজার হাজার টাকা আয় করা। অনেকের আগ্রহ থাকলেও অনলাইন ইনকাম করতে পারেন না। 

কারণ আপনারা সঠিক অনলাইন আয়ের পদ্ধতি গুলো জানেন না।

অনলাইন কাজ শিখার জন্য প্রতি মাসে অনেক টাকা খরচ করেন এবং অনলাইনে কাজ শিখা চেষ্টা করেন। কাজ না করতে পেরে ধৈর্য্য হারি ফেলেন। 

অনলাইন থেকে আয় করতে হলে আপনার প্রয়োজন সঠিক গাইডলাইন ও প্রচুর সময় ও শ্রম। এটি যদি আপনার থাকে তাহলে সফলতা ১০০%।

আরো পড়ুন মোবাইলে অনলাইন আয় করার সহজ উপায়

ঘরে বসে কিভাবে ইনকাম করবেন?

আপনি হয়তো একজন ছাত্র, গৃহিনী, চাকরিজিবী ও বেকার যুবক হয়ে থাকেন না কেন সকলের টাকা আয় করার প্রতি আগ্রহী। আপনি কি অনলাইন কাজ ঘরে বসে করতে চান। 

কে না চাই ঘরে বসে ইভেস্ট ছাড়া ইনকাম করতে। আপনার পড়া-শোনা বা কাজের ফাকে কিংবা চাকরির পাশাপাশি কিছু সময় ব্যয় করে আপনি প্রতি মাসে মোটা অংকের টাকায় উপার্জন করতে সক্ষম হবেন।

চাকরির পাশা পাশি যদি অন্য অবস্থা থেকে অর্থ উপার্জন হয় তাহলে আপনার অনেক সুবিধা হবে। 

পরিবার নিয়ে সুখে শান্তি দিন কাটাতে পারবেন। যে কোন জায়গায় যে কোন অবস্থায় আপনি অনলাইনে আয় করতে পারবেন।

একটু ভেবে দেখুন অন্য মানুষের মতো যদি আপনি ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব নিয়ে পরে থাকেন আপনার মূল্যবান সময়টা নষ্ট করে ফেলেন। এই সময়টা যদি আপনি অনলাইনে উপার্জনের জন্য ব্যয় করেন তাহলে ভালো মানের পেমেন্ট পেয়ে যাবেন প্রতি মাসে প্রায় ১০০০ ডলার যা বাংলাদেশে ৮৫,০০০/- হাজার টাকা। 

সময়ের মূল্য অপরিসীম যারা সময়কে কাজে লাগাতে পারে তারা এই পৃথিবীতে সফল হয় আর যারা সময় কে কাজে না লাগাতে পারে তারা অনেক পিছিয়ে থাকে। তাদের সংসারেও অশান্তি লেগে থাকে। 

আজ থেকে সময় নষ্ট না করে উপার্জন করার পিছনে সময় কাজে লাগান। অনলাইন আয় এটি একদিন আপনাকে অনেক উচ্চ স্তরের কর্ম ক্ষেত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে ইনশাহ্ আল্লাহ।

মাইক্রোসফট অফিস ২০০৭ বাংলা ভাষায় টাইপিং শিখুন আর অনলাইনে আর্টিকেল লিখুন

আমাদের সমাজে অনেক মানুষ আছে যারা বিভিন্ন যোগাযোগের সাইট গুলোতে চ্যাটিং করে ফানি ভিপিও দেখে প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা নষ্ট করে ফেলছে। 

একজন মানুষ যদি এভারেজ প্রতিদিন ৩-৫ ঘন্টা শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় নষ্ট করে তাহলে প্রতি সপ্তাহে ২০-৩০ ঘন্টা সময় এটা যদি মাসে হয় তাহলে ৯০-১২০ ঘন্টা সোশ্যাল মিডিয়ায় নষ্ট করে থাকে। এটা বছরে হিসাব করলে প্রায় ১৫০০ ঘন্টা নষ্ট হয়ে যায়। 

এক বার হলেও নিজেকে প্রশ্ন করুন, ভালো কোন মানুষের সাথে পরামর্শ করে দেখুন এটি আসলে খারাপ নাকি ভালো। আমি বলবো অবশ্যই খারাপ দিক, এখান থেকে দূরে থাকুন। বর্তমান যুগে টাকা ছাড়া বড় হওয়া যায় না।

আমরা যদি এই সময় কে কাজে লাগাতে পারি তাহলে অনেক ভালো হতো। আমরা এখন বুঝব না বুঝব যখন সমস্যায় পরবো। 

মানুষ বলে না? চুর পালালে বুদ্ধি বাড়ে সেই অবস্থা হবে। আমাদের মূল্যবান সময় যদি অনলাইন আয়ের কাজে লাগাই তাহলে আমার অনেক দূর্ত উপার্জন করতে পারবো।

আপনাদের মনে রাখতে হবে অবশ্যই যে, অনলাইন মানে সোশ্যাল মিডিয়া, ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার বা গেমস্ না। এটি হলো আয়ের একটি মাধ্যম। অনলাইন ইনকাম করে নিজের 

প্রয়োজন মিটাতে পারবেন পরিবারের সাথে সুন্দর জীবন যাপন করে পারবেন।

আপনার ইচ্ছে শক্তি ও ধৈর্য্য যদি থাকে তাহলে আপনি ইনকাম করতে পারবেন। আপনি কম্পিউটার, লেপটপ বা মোবাইল ফোন দিয়ে অনলাইন আয় করতে পারবেন ঘরে বসে। সে ক্ষেত্রে আপনার গুরুত্বপূণ ভালো মানের গতি সম্পন্ন ইন্টানেট, মডেম, ওয়াই-ফাই এর প্রয়োজন। কারণ আপনাকে অনলাইনে কাজ 

করতে হবে সে ক্ষেত্রে অনলাইন সংযুক থাকা আবশ্যক। যে টাকা খরচ করে প্রতি মাসে ফেসবুক ইউজ করেন সেই টাকা দিয়ে অনলাইন আয় করতে পারবেন তো চিন্তার কোন কারণ নেই।

অনলাইন আয় করার পদ্ধতি

এখন আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কম্পিউটার বা মোবাইল ফোন দিয়ে কি করে অনলাইন আয় করবেন। এ বিষয় গুলো আমি শুরুতে পরিষ্কার করে নিচ্ছি। 

কারণ অধিকাংশ মানুষ এর কাছে কম্পিউটার বা লেপটপ না থাকার কারণে অনলাইন কাজ করতে পারে না এবঙ কাজ করতে আগ্রহ হয় না।

এই মন মানষিকতা পরিবর্তন করুন আপনি কম্পিউটার, লেপটপ ছাড়া মোবাইল ফোন দিয়ে বিভিন্ন পদ্ধতিতে ঘরে বসে অনলাইনে খুব সহজে আয় করতে পারবেন। 

এখন মনের ভিতর প্রশ্ন আসে আপনার সত্যি কি মোবাইল ফোন দিয়ে অনলাইনে উপার্জন করা যায় আমি বলবো হ্যাঁ যায়।

অনলাইন ইনকাম করে টাকা পাবো কিভাবে?

সবার মনে একটাই প্রশ্ন থাকে অনলাইন আয় করার পর সেই টাকা কিভাবে হাতে পাবেন বা কিভাবে আসবে। চিন্তা নেই বুঝিয়ে বলছি অনলাইন আয়ের টাকা কিভাবে হাতে পাবেন সেই বিষয় নিয়ে। 

আপনাকে অবশ্যই বেশি করে পরিশ্রম করতে হবে। টাকা পাবেন পৃথিবীর সব চেয়ে বড় সার্চ ইঞ্জিন গুগল থেকে। কি বিশ্বাস হচ্ছে না? হ্যাঁ এটাই সত্যি গুগল আপনাকে টাকা দিবে। কখনো আপনার শ্রমের টাকা গুগল আত্মসাত করবে না। 

আপনার আপন মানুষ টাকার লোভে আপনার সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা করবে কিন্তু গুগল আপনার সাখে বেইমানি করবে না।

অনলাইন এর যে কোন প্লাটফর্ম হতে আপনি টাকা ইনকাম করুন না কেন সেই টাকা আপনার হাতে পৌঁছতে কোন ধরনের সমস্যা হবে না। আপনাদের মাঝে সে সব বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করবেন। 

টাকা কি বিকাশে পাবেন এমন কোন কথা নেই টাকা আপনি আপনার ব্যাংকের মাধ্যমে ও পাবেন। এখন প্রশ্ন আসতে পারে আমার তো কোন ব্যাংক একাউন্ট নেই।

আপনার পরিবারের যে কারও ব্যাংক একাউন্ট দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন। চিন্তার কারণ নেই আপনার নিজের নামে একটি ব্যাংক একাউন্ট খোলে নিবেন। 

ব্যাংক একাউন্ট করা কোন বড় কাজ না প্রথমে আপনাকে পরিশ্রম করে টাকা উপার্জন করতে হবে পর সে টাকা ব্যাংকে কি করে আনতে হয় বলবো। আর এখন আপনি নিজেই সব করতে পারবেন উক্ত আলোচনা যদি ভালো করে বুঝে থাকেন।

আরো পড়ুন মোবাইল দিয়ে অনলাইন আর্টিকেল লিখে আয়

অনলাইন আয় করার মাধ্যম ব্লগিং

অনলাইন যুগে সবচেয়ে উন্নত আয়ের মাধ্যম ও ভালো দিক হল ব্লগিং। এটি একদম সঠিক কথা ঘরে বসে অনলাইনে ব্লগিং করে আয় করা যায়। 

বর্তমান অবস্থায় বিশ্বের অনেক দেশের মানুষ ব্লগিং করে টাকা উপার্জন করছে। আপনি ইংরেজি বা বাংলাতে ব্লগিং করতে পারবেন। মোবাইল দিয়ে সহজে ব্লগিং করা যায়। এখন প্রশ্ন করতে পারেন এটি কি ভাবে শুরু করবেন।

ব্লগিং কি?

ব্লগিং হলো অনেক টা ডিজিটাল নিউজ পেপার এর মতো যেমন অনলাইন-এ ব্লগার অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে। যেমন আপনাদের অতি পরিচিত একটি ওয়েবসাইট প্রথম আলো, কালের কন্ঠ বিভিন্ন ওয়েবসাইট রয়েছে। 

ঠিক ঐরকম একটা সাইট তৈরী করতে পারবেন। আপনি যে আমার পেজটি পড়ছেন এটিও একটি ব্লগার ওয়েবসাইট।

মোট কথায় বলা যায় আর্টিকেল লেখা লেখি করাকেই বলা হয় ব্লগ। আপনি চাইলে আপনার দক্ষতা অনুযায়ী আর্টিকেল লিখতে পারবেন নিজের মতো করে। 

আপনার যদি বিনোদন নিয়ে ভালো উৎসাহ থাকে হাহলে এটা দিয়েও লেখা শুরু করতে পারবেন। আপনি যে বিষয় নিয়ে দক্ষ সেই বিষয় নিয়ে কাজ করলে সব চেয়ে উত্তম কাজ হবে। যেমন :

মনে করুন আপনি মানুষের জীবনি, চলচিত্র নায়ক, নায়কাদের নিয়ে বিনোদন, খেলা ধুলা, চাকরির বিষয়, শিক্ষা বিষয়ক কাযক্রম নিয়ে আর্টিকেল লিখবেন। এখান থেকেই একটি নিয়ে কাজ করতে হবে এতে আপনি সফলা অর্জন করবেন। 

যেহেতু মানুষ প্রতিনিয়ত ইন্টারনেট এর সাথে জড়িয়ে আছে। এই মুহুর্তে ব্লগিং সত্যিই অনেক দরকারী। দিনদিন খবরের কাগজ এর প্রতি মানুষের পড়ার আগ্রহ চলে যাচ্ছে সবাই অনলাইন নিউজ পড়তে পছন্দ করেন। 

বিভিন্ন নিউজ সাইটে গিয়ে সেই বিষয় সম্পর্কে বিভিন্ন রকম খবর রিচার্জ করতে হবে। এ বার যাওয়া যাক কিভাবে করবেন ব্লগিং, কোথায় আর্টিকেল লেখা লেখি করবেন।

ব্লগিং করতে গেলে আপনাকে ফ্রি বা টাকা খরচ করে উভয় ভাবে ব্লগিং শুরু করতে পারবেন। এই বিষয়টি আপনার মতামত ফ্রিতে করবেন নাকি টাকা খরচ করে। 

আমি বলবো ফ্রি জিনিজ বেশি দিন টিকে না তাই টাকা খরচ করে ব্লগিং দার করালে উপার্জন ১০০%। কেন টাকা খরচা করে ব্লগিং করবেন তাহলে একটি উদাহরণ দেখুন......

আরো পড়ুন সহজ পদ্ধতিতে অনলাইন এক্সেল কাজ।

মিষ্টার একটি ঘর তৈরী করবেন, প্রথমে সে একটি জমি কিনবে তারপর সে জমির ওপর ঘর নির্মাণ করবেন। একটু ভেবে দেখুন তো মিষ্টার ঘর তৈরী করার জন্য যদি জমি ক্রয় না করে অন্যের জমিতে ঘর নির্মাণ করেন সেটা কেমন হবে? বিষয়টা ভালো করে বুঝেন। 

পরেরে জমি পরেই থাকে। এখন আসি বাস্তব উদাহরণে আপনি যখন কষ্ট করে ওয়েবসাইটে আর্টিকেল লিখবেন তখন এটা অন্যের সাইটে কেন করবেন। নিজের মালিকানায় তৈরী করা ওয়েবসাইটে কাজ করলে কেমন হয় এবার ভাবুন তাহলে। নিজের ওয়েবসাইট মানুষের কাছে পরিচিত হলো।

ফ্রি ওয়েবসাইটের ভিজিট কম করে হয়। আচ্ছ ভেবে দেখুন তো একটা ব্যবসা করবেন ব্যবসায় তো কিছু ইনভেস্ট করতে হবে। 

সামান্য কিছু ইনভেস্ট করে ব্লগিং শুরু করতে পারবেন আর হ্যাঁ যারা কোন ইনভেস্ট করবেন না তারা ফ্রিতেই ব্লগিং শুরু করতে পারবেন। এতে বেশি উন্নতি করতে পারবেন না। 

ফ্রি জিনিস বেশি দিন টিকে না এটা আমরা সবাই জানি। তাই উক্ত ওয়েবসাইটের জন্য কিছু টাকা খরচ করুন সফলতার মুখ দেখতে পারবেন।

ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরী করতে খরচ কত হবে?

আপনাকে প্রথমে ডুমেইন ডট কম বা ডট নেট ও ১ জিবির মতো হোস্টিং এবং একটি থিম ক্রয় করতে হবে। ব্লগারে থিম পাবেন একদম ফ্রিতে। ক্রয় করা পিমিয়াম থিম আপনার ওয়েবসাইটের জন্য ভালো।

ডুমেইন কি?

ডুমেইন হলো ওয়েবসাইট এর একটা নাম বা পরিচায়। মনে করুন আপনার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে সে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তো একটা নাম প্রয়োজন। 

যদি ব্যবসার নাম না থাকে মানুষ চিনবে কি করে আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ঠিক সেই ভাবে অনলাইন আয় করার জন্য ওয়েবসাইট খোলতে গেলে একটা নাম প্রয়োজন না হলে মানুষ চিনবে কি করে এটিকে বলা হয় ডুমেইন।

ডুমেইন নাম ক্রয় করতে ক্লিক করুন

হোস্টিং কি?

আপনি তো ব্যবসার নাম দিলেন সে ব্যবসাটি কত বড় হবে কত টুকু জিনিস পত্র থাকবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে জায়গা কত বড় হবে। ব্যবসার জিনিস পত্র রাখার জায়গাকে আমরা হোস্টিং বলে থাকি। যেমন পোষ্ট। 

ঠিক তেমন ভাবে আপনার ওয়েবসাইট এর নাম তো হলো এই ওয়েবসাইটটা কোথায় রাখবো সেটার জন্য আপনার প্রয়োজন হোস্টিং। মেমুরীর মতো জিবি হিসেবে হোস্টিং ক্রয় করতে হবে। যেমন ১ জিবি, ২ জিবি আপনার প্রয়োজন মতো।

ডুমেইন ও হোস্টিং ক্রয় করতে খরচ কত?

নতুন অবস্থায় বেশি খরচ না করলেও কম খরচের মধ্যে একটা ভালো নামে ডুমেইন এর জন্য আপনাকে ৮০০/- থেকে ১০০০/- টাকার মধ্যে ডুমেইন নাম ক্রয় করতে হবে। 

হোস্টিং এর জন্য আপনার বাজেট ভালো থাকলে ভালো দেখে ৫-৮ হাজার টাকা দামের হোস্টিং ক্রয় করবেন। বাজেট কম থাকলে ১৫০০-২০০০ হাজার টাকা দামের হোস্টিং ক্রয় করবেন। সর্ব নিম্ন ১ জিবি হোস্টিং নিবেন তার জন্য খরচ হতে পারে ১০০০/- থেকে ১২০০/- টাকা।

ফ্রিতে ব্লগিং?

গুগল ব্লগার অথবা ওয়ার্ডপ্রেস বিনা মূল্যে একটি ব্লগ তৈরী করে নিতে পারবেন। এগুলোতে আপনাকে একটা করে ফ্রি ডুমেইন এর মাধ্যমে ব্লগ তৈরী করতে দিবে। যেমন : updatebdnewsall.blogspot.com

সাব ডুমেইন কি?

সাব ডুমেইন হলো মেইন ডুমেইন এর আগে নতুন একটা নাম নেটওয়াক বুঝায় যেমন আমার সাব ডুমেইন নাম edujscircular.blogspot.com একটা সাব ডুমেইন। 

আর যদি টাকা দিয়ে ডুমেইন ক্রয় করেন তাহলে আমার এই ওয়েবসাইট ডুমেইন নাম www.eduandjobs.com এরকম হবে।

ওয়বসাইট ব্লগার তৈরী?

গুগল ব্লগার থেকে ওয়েবসাইট তৈরী করা অনেক সহজ আপনি চাইলে মোবাইল ফোন দিয়ে মাত্র ১৫-২০ মিনিটের মধ্যে একটি ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরী করতে পারবেন।

শুধু ব্লগ তৈরী করে থেমে থাকলে হবে না নিয়মিত পোষ্ট পাবলিশ করতে হবে ভালো মানের আর্টিকেল লিখতে হবে। 

যেহেতু আপনার ওয়েবসাইট অনেকেই দেখবে এমনকি সাড়া বিশ্বের মানুষ আপনার ওয়েব সাইটটি দেখবে সে জন্য আপনাকে ভাল মানের আর্টিকেল লিখতে হবে।

প্রতিদিন নতুন নতুন আর্টিকেল লিখবেন। আপনার বিষয়টি যদি ইউনিক হয় তাহলে ভিজিটর অবশ্যই আপনার ব্লগে আসবে। 

নতুন অবস্থায় আপনি প্রতি সপ্তাহে ২-৩ টি আর্টিকেল লিখতে পারেন। আপনি যদি চান তাহলে প্রতিদিন পোষ্ট করতে পারেন।

আপনার ব্লগে যখন ভিজিটর নিয়মিত আসবে তখন প্রতি সপ্তাহে ৩ টি আর্টিকেল লিখলেও হবে তবে প্রতি দিন লিখলে ভালো হয়। 

নতুন ওয়েবসাইটে প্রথম দিকে ভিজিটর কম আসবে আপনার ব্লগ পরিচিত হলে প্রচুর পরিমাণের ভিজিটর পাবেন।

ব্লগার ওয়েবসাইট নতুন তৈরী করতে ক্লিক করুন

গুগল এ্যাডসেন্স একাউন্ট

গুগল এ্যাডসেন্স হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন কোম্পানি। এটি গুগল কর্তৃপক্ষ নিজে পরিচালনা করে। 

এটার মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট ব্লগার মনিটাইজ করে ইনকাম করা যায়। 

আপনার ওয়েবসাইট এ ৩০-৫০ টি পোষ্ট হয়ে গেলে গুগল এ্যাডসেন্স এ আবেদন করতে পারবেন। 

যদি আপনার ওয়েবসাইটে প্রচুর পরিমাণের ভিজিটর আসে প্রতি মাসে আপনি ভালো একটা ইনকাম করতে পারবেন যা আপনি চাকরি করেও এমন অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

বর্তমান সময় গুগল এ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়া একটু জটিল হয়ে পরেছে। আপনি আমার এই ওয়েবসাইটে দেখতে পারছেন অনেক গুলো এড দেখাচ্ছে উক্ত সব গুলো গুগল এ্যাডসেন্স দ্বারা পচলিত। 

গুগল এ্যাডসেন্স অনুমোদন খুব সহজে পাওয়া যায় না অনুমোদন পেতে হলে ওয়েবসাইটে ৩০-৫০ টি ভালো মানের আর্টিকেল থাকতে হবে তাহলে অতি তারা তারি অনুমোদন পাবেন। তার জন্য প্রয়োজন উচ্চ স্তরের ডুমেইন যেমন (ডট কম, ডট নেট, ডট ওআজি) ইত্যাদি আরো অনেক ভালো মানের ডুমেইন রয়েছে। 

আপনি যদি ডুমেইন না ক্রয় করেন তবে ফ্রি ডুমেইন ব্লগস্পটেও অনুমোদন পাওয়া যায়, আমি বলবো ডুমেইন ক্রয় করাই উত্তম।

পরিশেষে : 

অনেকেই বলে গুগল এ্যাডসেন্স এপরুপ করা অনেকট জটিল কাজ? আসলে কঠিন না আমি একদম সহজে পেয়ে গেছি এই ওয়েবসাইটের জন্য। 

আপনি যদি চান কি করে আর্টিকেলট লিখতে হয় কি করলে গুগল এ্যাডসেন্স সহজে পাওয়া যায় তাহলে আপনি আমাদের পেজের সাথেই থাকুন। 

বিস্তারিত জানতে সম্পন্ন আপডেট আমাদের www.eduandjobs.com নিচে কমেন্ট বক্সে মন্তব্য জানাবেন আমারা আপনার কাঙ্ক্ষিত প্রশ্নের উত্তর দিব যত তারা তারি সম্ভব। আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

Post a Comment

0 Comments